মোহনগঞ্জ সংবাদদাতা ঃ নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলাধীন বিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণির ক্লাসে খন্ডকালীন শিক্ষক স্মরণ তালুকদার প্রহারে কয়েকজন ছাত্রী আহত হয়েছে এরকম প্রচার রয়েছে সর্বত্রই।,
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ৩০ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার দিকে বিরামপুর গ্রামের জুয়েল মিয়ার মেয়ে ইমা (১৫), শফিকুল ইসলামের মেয়ে রাবেয়া (১৫) কে আহত অবস্থায় মোহনগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ইমার অবস্থা অবনতি দেখে কর্তব্যরত ডাক্তার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। ,
ইমার পিতা জুয়েল মিয়া জানান, ইমাকে ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর ভর্তিকৃত শফিকুল ইসলামের মেয়ে রাবেয়া মোহনগঞ্জ হাসপাতালে এখনও চিকিৎসাধীন। তবে রাবেয়ার আত্মীয়-স্বজন বলছেন আমাদের মেয়ের শরীল দুর্বল থাকায় সে অজ্ঞান হয়ে পড়েছে, অন্য কিছু না। অন্য দিকে পানুর গ্রামের জানু মিয়ার মেয়ে রুবি (১৫) শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পরে। শিক্ষার্থী রুবির চাচা জিয়া উদ্দিন বাচ্চু বলেন, বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক মোবাইল দিয়ে বলে আপনার ভাতিজি রুবি অসুস্থ হয়েছে, এসে নিয়ে যান। পরে আমি স্কুলে যেয়ে ভাতিজি রুবিকে নিয়ে আসি।,
তবে দুইজন শিক্ষার্থীকে মোহনগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এই সংবাদটি আমি পেয়েছি। এ ব্যাপারে খন্ডকালীন শিক্ষক স্মরণ তালুকদারকে মোবাইলে ফোন করলে মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে বিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাসেমকে বার বার মোবাইল ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে রাত সাড়ে আটার সময় হাসপাতাল থেকে প্রধান শিক্ষক বের হতে দেখা যায়। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।,
এ প্রসঙ্গে মোহনগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম.এ কাদের বলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেনকে তদন্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্তে সত্যতা প্রমাণ হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Leave a Reply