মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নেত্রকোণায় জলবায়ু সংকট ও হাওর অঞ্চলের স্থানীয়  অভিযোজন বিষয়ক নাগরিক সংলাপ বারহাট্টায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন নেত্রকোণা সংস্কৃতি মঞ্চের সাহিত্য আড্ডা ও ইফতার মাহফিল নেত্রকোণায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা  অভিযান শুরু ব্যরিস্টার কায়সার কামাল ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় নেত্রকোণাবাসীর অভিনন্দন কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোয়া ৫ বছরে ১০৭টি সিজার সম্পন্ন নেত্রকোনার  কেন্দুয়ায় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে মতবিনিময় সভা মোহনগঞ্জে ২০ বছর ধরে লাইসেন্স ছাড়া চলছে প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র নেত্রকোনায় খাল খনন উদ্বোধন করলেন  এমপি  ডাঃ আনোয়ারুল হক নেত্রকোনায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
রমজান ১৪৪৭
লোড হচ্ছে...
সাহরি (শেষ সময়)
--:--
ইফতার (শুরু)
--:--
পরবর্তী ইফতার
০০:০০:০০
সৌজন্যে : Shahin.bd

মোহনগঞ্জ বিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির অনিয়মের অভিযোগ

কামরুল ইসলাম রতন
  • আপডেট : শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৫৪৭ পঠিত

মোহনগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মোঃ মাহবুবুল কবীরের বিরুদ্ধে সভাপতি পদ হতে বাতিল করার আবেদন করেন মোঃ হাবিবুর রহমান রানা।

মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা খাতুন এর সাথে এ বিষয়ে কথা হলে তিনি বলেন, আমি প্রধান শিক্ষককে বলেছি অবিলম্বে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তা দিয়ে কমিটি গঠন করার জন্য। অভিযোগটি জেলা প্রশাসক বরারর আবেদন করেন মোঃ হাবিবুর রহমান রানা।

আবেদনে উল্লেখ করেন, বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির/এডহক কমিটির সর্বশেষ সংশোধনী নং- এসআরও ৩৪৭-আইন/২০২৫ এর অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী সভাপতি পদে ৯ম গ্রেডের নিম্নে নহেন এমন সরকারী কর্মকর্তাকে মনোনয়ন দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় সংশ্লিষ্ট বিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তার ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ বিধি বহির্ভূত ভাবে মোঃ মাহবুবুল কবীর, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব), ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ কে তথ্য গোপন করে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করেছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পদটি ৯ম গ্রেডের হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা চলতি দায়িত্বে থাকাতে এটি ৯ম গ্রেডের নয়। ১৮ এপ্রিল ২০২৩ অনুযায়ী জারীকৃত নীতিমালা অনুসারে ১০ এর ১ উপ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী চলতি দায়িত্ব পদোন্নতি প্রাপ্ত নয় বিধায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মূল গ্রেড ৯ম নয়। তাছাড়া নীতিমালার বাইরে গিয়ে গঠিত উক্ত এডহক কমিটির মাধ্যমে পরবর্তীতে ম্যানেজিং কমিটি গঠিত হলে তা ভবিষ্যতে প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

এ বিষয়ে মোঃ মাহবুবুল কবীর বলেন, আমি চলতি দায়িত্ব হলেও আমার বেতন গ্রেড ৭ম। সুতরাং আমাকে এডহক কমিটির সভাপতি করা হয়েছে তা সঠিক নিয়মেই হয়েছে। বিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাসেমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, বাৎসরিক বেতন স্টেটমেন্টে দেখা যায় উনার গ্রেড ৭ম এবং উনার পদবী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রয়েছে বিধায় আমি এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে বোর্ডে আবেদন পাঠিয়েছিলাম। এ বিষয়ে হিসাবরক্ষণ বিভাগে অনেক কর্মকর্তার অভিমত যেহেতু উনি চলতি দায়িত্বের জন্য প্রতি মাসে ১৫শ টাকা করে নিচ্ছেন তাহলে তিনি ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তা।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের বরাবরে আবেদন করার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা খাতুন বিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ৯ম গ্রেডের নতুন একজন কর্মকর্তার নাম সংযোজন করে এডহক কমিটি করার নির্দেশ প্রদান করেন।

শেয়ার করুন:
এ জাতীয় আরও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

© All rights reserved © 2021 dainikjananetra
কারিগরি সহযোগিতায় Shahin.bd