বিশেষ প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হলো ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। সবুজায়নের ধারাবাহিক প্রয়াসের অংশ হিসেবে এ দিন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে রোপণ করা হয় প্রায় ৫০ প্রজাতির ১৫৪০টি বৃক্ষচারা। নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের লেকপাড়ে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আনিছা পারভীন। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজায়নের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
তাঁদের হাতে রোপিত ছোট্ট চারাটি কেবল একটি গাছের সূচনা নয়—তা বহন করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বৃহৎ, দীর্ঘমেয়াদি এবং টেকসই স্বপ্ন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ, বাংলাদেশ বন ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ জাকির হোসাইন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
যাঁরা সকলেই ছিলেন এই সবুজ আন্দোলনের অংশীদার। প্রত্যেকে যেন মাটির গভীরে পুঁতে দিয়েছেন একটি করে আশাবাদের বীজ। রোপিত গাছের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রজাতিগুলো হলো—নাগলিঙ্গম, নাগেশ্বর, পাদুয়াক, গামারি, তেলসুর, কাঠ বাদাম, বক্স বাদাম, সিভিট, বুদ্ধ নারিকেল, চিকরাশি, তমাল প্রভৃতি। বৃক্ষরোপন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ভবনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. মোহাম্মদ জাকির হোসাইন, আহ্বায়ক হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আনিছা পারভীন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুধু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই পরিবেশ গঠনে সহায়ক হবে না, বরং এটি একটি সবুজ আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা জাগিয়ে তুলবে।
Leave a Reply