মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌর শহরে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল স্ট্যান্ডে চাঁদার দাবিতে হামলায় কয়েকজন চালক আহত হন।এ সময় মোটরসাইকেল চালকেরা শফিক মিয়া নামের একজনকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যান। শুক্রবার পৌর শহরের শিয়ালজানি খালের সেতুর ওপর মোটরসাইকেল স্ট্যান্ডে এই ঘটনা ঘটে।,
এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক তোফাজ্জল মিয়া বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন। এতে শফিক মিয়া ও তাঁর ছেলে আনিছ মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। ৪ এপ্রিল মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।আটক শফিক মিয়া উপজেলার নাগডরা (ছয়ানি) গ্রামের মৃত আব্দুল বারেকের ছেলে।,
বর্তমানে তিনি বারহাট্টা উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামে বসবাস করেন।অভিযোগের ব্যাপারে জানা গেছে, পৌর শহরের হাট মোহনগঞ্জ এলাকায় শিয়ালজানি খালের সেতুর ওপর একটি মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড রয়েছে। সেখানে শতাধিক মোটরসাইকেল থাকে। মোহনগঞ্জ শহর থেকে গাগলাজুর বাজার পর্যন্ত যাত্রী নিয়ে ভাড়ায় চলাচল করেন এসব মোটরসাইকেলচালকেরা।,
গত বৃহস্পতিবার রাতে শফিক মিয়াসহ বেশ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মোটরসাইকেল স্ট্যান্ডে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। প্রতি মোটরসাইকেলচালককে পাঁচ হাজার টাকা করে চাঁদা দিতে হুমকি দেওয়া হয়। চাঁদা না দিলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয়। এ সময় চালকেরা প্রতিবাদ করলে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন আহত হন।পরদিন শুক্রবার আবারও একই স্থানে এসে শফিক ও তাঁর ছেলে আনিছসহ অন্যারা চাঁদা দাবি করলে তোফাজ্জল মিয়াসহ অন্য চালকেরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা তাঁদের মারধর করেন।,
এ সময় চালকেরা মিলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রধান অভিযুক্ত শফিক মিয়াকে আটক করেন পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ সময় পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অন্যরা পালিয়ে যান।আহত চালক তোফাজ্জল মিয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।,
পরে রাতেই তোফাজ্জল মিয়া বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করেন। এতে শফিক মিয়া ও তাঁর ছেলে আনিছ মিয়াসহ অজ্ঞাত ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, অভিযুক্ত শফিকুল মিয়া থানায় আটক রয়েছে। পালিয়ে যাওয়া অন্য অভিযুক্তদের খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করা হবে।
Leave a Reply