বিশেষ প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান এর দুর্নীতি ও অসদাচরণের বিরুদ্ধে নেত্রকোণা জেলা রেজিস্ট্রার বরাবরে সরকারি কলেজ শিক্ষক সমিতি নেত্রকোণা জেলা এর সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম খান এর দায়ের করা অভিযোগে জানা যায়, উল্লেখিত পতিত ফ্যাসিস্ট এর ধূসর সাব রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান কেন্দুয়া উপজেলায় নিযুক্ত হওয়ার হর থেকেই লাগামহীন দুনীর্তি, দায়িত্বে অবহেলা, দলিল গ্রহিতাদের সাথে অসদাচরণ, দলিল লেখকগণের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন কার্যকলাপে জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। গত ২৩ জুন অভিযোগকারী শফিকুল ইসলাম ও তার ৭ ভাই বোন বিভিন্ন কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়ে দলিল করার জন্য আসেন তাদের দলিলটি একটু তারাতারি সম্পন্ন করার জন্য উল্লেখিত সাব-রেজিস্ট্রারকে অনুরোধ জানান।
অপেক্ষার এক পর্যায়ে সাব রেজিস্ট্রি অফিসের জৈনক কর্মচারী অভিযোগকারীর কাছে ১ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন ঘুষের ১ হাজার টাকা দেয়ার ব্যাপারে অপারকতা প্রকাশকরার কিছুক্ষণপর অভিযোগকারীর দলিল সম্পন্ন না করেই উল্লেখিত সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকে বের হয়ে চলে যান। এছাড়া প্রতি সপ্তাহে কেন্দুয়ায় ২ দিন অফিস করার কথা থাকলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তিনি সপ্তাহে ১ দিন অফিস করে থাকেন। তাছাড়া তিনি দাখিলকৃত দলিলের সিংহভাগই রেজিস্ট্রি না করে পরের কার্য দিবসের জন্য রেখে দেন। অপর দিকে সাব রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান কেন্দুয়ায় যোগদানের পর থেকেই অবিকল নকল উত্তোলনের খরচ প্রতি দলিলে ২-৩শত টাকা বৃদ্ধি করেছেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় অভিযোক্ত সাব রেজিস্ট্রার প্রতি দলিল রেজিস্ট্রেশন বাবদ দলিল লেখকদের কাছ থেকে ১২০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা উৎকুষ নিয়ে থাকেন। এছাড়া অভিযোগকারী শফিকুল ইসলাম খান মহা-পরিদর্শক নিবন্ধন বরাবরে ৩০ জুন উল্লেখিত সাব রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অপর আরেকটি অভিযোগ দাখিল করেছেন। ওই অভিযোগে উল্লেখ করা হয় ২৯ জুন শফিকুল ইসলাম ও তার ৭ ভাই বোন পুনরায় দলিল করার জন্য কেন্দুয়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যান। দলিল লেখক মাহমুদুল হক শফিকুল ইসলামকে নিয়ে সাব রেজিস্ট্রার এর টেবিলের সামনে গেলে তিনি রাগান্বিত হয়ে দাখিলকৃত ৩টি দলিল অভিযোগকারী শফিকুল ইসলাম এর দিকে ছুড়ে ফেলে দেন।
ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন যেহুতু আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, আপনার কোন দলিল আমি রেজিস্ট্রি করব না। উল্লেখিত দলিলগুলো নিয়ে দলিল লেখক মাহমুদুল হকের কক্ষে আসামাত্রই অপর দলিল লেখক মাসুদ, সবুজসহ কতিপয় গুন্ডাপান্ডা আমাদের উপর চড়াও হয়, গালিগালাজ ও হুমকি-ধমকদিয়ে আমাদেরকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে ঠেলা-ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়। এমতাবস্থায় উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থাগ্রহণের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীগণ।
Leave a Reply