কেন্দুয়া প্রতিনিধি: নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোণা ইউনিয়নের সাহিতপুর বাজারে সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী যুবলীগের এক নেতার নামে ইস্যুকৃত বিএডিসির বীজ ও সার ডিলারের লাইসেন্স ব্যবহার করে অন্য ব্যক্তির সার ও বীজ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিষয়টি জানাজানির পর উপজেলা কৃষি বিভাগ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।,
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাহিতপুর বাজারের একটি বিএডিসির বীজ ও সার ডিলার লাইসেন্স (নং-৭২৪৭৯৪-০২) রফিকুল ইসলামের নামে ইস্যুকৃত। স্থানীয়দের দাবি, রফিকুল ইসলাম সান্দিকোণা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অপু উকিলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে ওই লাইসেন্স ব্যবহার করে সান্দিকোণা ইউনিয়নের চড় খিদিরপুর গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে আব্দুল খালেক বিএডিসির সার ও বীজ বিক্রি করছেন।,
৩ আগস্ট সরেজমিনে গেলে স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ সংগঠনের এক নেতার নামে থাকা লাইসেন্স ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনা করা টিক না। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।সান্দিকোণা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, “যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক প্রায় দুই বছর ধরে পলাতক। তার নামে থাকা লাইসেন্স ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনা করা অত্যন্ত দুঃখজনক। ,
বিষয়টি তদন্ত করে লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”অভিযুক্ত আব্দুল খালেক বলেন, “গত জুলাই মাস থেকে আমি রফিকুল ইসলামের লাইসেন্স ব্যবহার করে বিএডিসির সার ও বীজ বিক্রি করছি। উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি মাহাবুব আলম খান (মহসিন)-এর নির্দেশে এবং সংশ্লিষ্টদের জানাশোনার মধ্যেই আমি এ ব্যবসা পরিচালনা করছি।,
”তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি মাহাবুব আলম খান (মহসিন) বলেন, “যিনি লাইসেন্স ব্যবহার করে ব্যবসা করছেন, তিনি আমার কেউ নন। কেউ যদি আমার নাম ব্যবহার করে থাকে, তা হলে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উজ্জ্বল সাহা বলেন, “লাইসেন্সধারীর কর্তৃক পত্রের ভিত্তিতে আব্দুল খালেক সার বিক্রি করছেন। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
Leave a Reply