বিশেষ প্রতিনিধিঃ বরাবরই ধান, চাল সংগ্রহ করা হতো এবার আমরা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশে যে কর্মসূচী নেয়া হয়েছে। কৃষক ভায়েরা ধান দিতে পারবে এবং তারা যত পরিমাণ ধান দিতে পারবে তত পরিমাণ ধান সংগ্রহ করা হবে এবং আমরা প্রাথমিকভাবে যে লক্ষ্যমাত্রা ধারণ করেছি, তার চেয়ের আরও বেশি পরিমাণ ধান এবং চাল সংগ্রহ করা হবে।
কৃষকরা যাতে ধান দিতে পারে, কৃষক ভায়েরা যেন ন্যায্য মূল্য পায়। আপনারা লক্ষ্য করেছেন ইতুমধ্যেই বেশ কয়েকটি জেলায় সুনামগঞ্জ সিলেট থেকে শুরু করে হাওর অঞ্চলের এই জেলা গুলোতে বন্যা হওয়ায় এখানে আমাদের চাল সংগ্রহের তারিখ ছিল ১৫ তারিখ থেকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশে এই টাইম টা এগিয়ে আনা হয়েছে এবং যাতে তারা ধানের ন্যায্য মূল্য পায় এটি নিশ্চিত করার জন্য সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নেত্রকোণায় অভ্যন্তরীন বোরো সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে ০৩ মে রোজ রবিবার সন্ধ্যায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, মোঃ আব্দুল বারী।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মোঃ মাসুদ রানা’র সভাপতিত্বে স্থানীয় পাবলিক হলে অনুষ্ঠিত সংগ্রহ অভিযানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক, নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা) আসনের এমপি অধ্যাপক মাছুম মোস্তফা, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মু. জসীম উদ্দিন খান, নেত্রকোণার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার, পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক নুরুজ্জামান নুরু প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন, জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মোয়েতাছেমুর রহমান, বিএনপি নেতা মাহফুজুল হক, মনিরুজ্জামান দুদু, শফিকুল কাদের সুজা, সালাউদ্দিন খান মিল্কী, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় কৃষক, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ। জেলা খাদ্য অফিস সূত্র জানায়, এবছর ২ হাজার ৪শত ১৫ মেট্রিকটন ধান ও ৫৫ হাজার ৫শত ৮৫ মেট্রিকটন চাউল সংগ্রহের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা, সিদ্দ চাউল ৪৯ টাকা, আতব চাউল ৪৮ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত এ সংগ্রহ অভিযান চলবে।
Leave a Reply