সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন

নেত্রকোনার কাঞ্চনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক  রুহুল আমিনের  ভুয়া সনদে চাকরি।।  প্রতারনা করে টাকা নেয়ার   অভিযোগ 

মো: হাবিবুল্লাহ
  • আপডেট : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬১ পঠিত

 

 

মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ খালিয়াজুরী  প্রতিনিধি । নেত্রকোনা জেলা সদরের কাঞ্চনপুর সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রুহুল আমিন,ভুয়া সনদে চাকুরী করে এবং নিজেকে এনজিও কর্মী পরিচয় দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে ১৬ সেপ্টেম্বর  জেলা প্রশাসক নেত্রকোনা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে অভিযোগ করেছে, মদন উপজেলার মাঘান ইউনিয়নের ভুক্তভোগী মোঃ  ছাইদুল হক তালুকদার।,

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা জেলার কাঞ্চনপুর গ্রামের মোঃ গোলাম রবের ছেলে মোঃ রুহুল আমিন কাঞ্চনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালযয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার মাথাং ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১৯৯০  সনে আলীম পরীক্ষা পাস করেছেন বলে দাবি করেন এবং আলীম পাশের সনদপত্র চাকরিতে সংযুক্ত করেন।,

পক্ষান্তরে জানা যায় উক্ত ফাজিল মাদ্রাসার  অধ্যক্ষ মোঃ সিরাজুল ইসলাম ১০ অক্টোবর -২০১৫ তারিখ একটি প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করেন, যার মধ্যে উল্লেখ করা হয় মোঃ রহুল আমিন, পিতা মোঃ গোলাম রব ১৯৯০  সনের আলীম পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৪ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।,

এতে  তার আলীম পাশের সনদপত্র ভূয়া বলে প্রমাণিত হয়। তাছাড়া, তিনি মুসলিম ইড মিশন ওয়াল্ডবুরু নামের একটি ইসলামি সংস্থার, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দিয়ে, বিশ লক্ষ টাকা মূল্যের ঘর দেয়ার কথা বলে, খালিয়াজুড়ি উপজেলার শফিকুল মিয়া, মজনু মিয়া, মিন্টু মিয়া, চায়না আক্তার, রাবিয়া আক্তার, সুফলা আক্তার, ময়না আক্তার, মন্জুরা আক্তার ও মদন উপজেলার ছাইদুল হক তালুকদার সহ ২০/২২ জন বিধবা নারী, অসহায়, দরিদ্র মানুষের নিকট থেকে জনপ্রতি পঁচিশ হাজার টাকা করে প্রায় পাঁচ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ,

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ রহুল আমিন বলেন,  সনদপত্র ভূয়া কথাটি সঠিক না, আমার আলীম পাশের সনদপত্র ঠিক আছে বলে দাবি করেন । ঘর দেয়ার কথা বলে টাকা নেয়ার বিষয় স্বীকার করেন বলেন আগামী ১০ অক্টোবর -২৬ ইং তারিখের মধ্যে  টাকা ফেরত দেয়া হবে।  নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল আজম বলেন, আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, ভুক্তভোগিদের টাকার বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এবং সনদপত্রের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

ব্যাকগ্রাউন্ড
বর্ডার
শিরোনাম
ফন্ট: 55px
Version 4.7 | Developed by Shahin
×

📜 প্লাগইন ব্যবহার বিধি

  • 'ফটো কার্ড তৈরি করুন' বাটনে ক্লিক করুন।
  • আপনার পছন্দমতো শিরোনাম ও রঙ পরিবর্তন করুন।
  • জেনারেট হতে ৫-১০ সেকেন্ড সময় দিন।
  • জরুরী প্রয়োজনে: ০১৭১১৭৯৬৮৩৯
শেয়ার করুন:
এ জাতীয় আরও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

© All rights reserved © 2021 dainikjananetra
কারিগরি সহযোগিতায় Shahin.bd