মোহনগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অধীনস্থ মোহনগঞ্জ জোনাল অফিসের পল্লী বিদ্যুৎ মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত মোট সাড়ে ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় অত্র উপজেলার জনগণের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। জানা গেছে, গতরাতে বজ্রপাত কিংবা বৃষ্টি ছিল না । হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায় আর আসার খবর নেই। রাত একটা থেকে দুইটা পর্যন্ত পল্লী বিদ্যুতের জরুরি নাম্বারে কল করলেও রিসিভ করিনি।
বিষয়টি রাতে জি এম কে হোয়াটসঅ্যাপে অবহিত করা হয় । সারা রাত্রে এমনকি দুপুর বারোটা পর্যন্ত বিদ্যুৎ আসেনি এবং কারণ জানা যায়নি। পরবর্তীতে মোহনগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম কে মোবাইল করে পাওয়া যায়নি। দুপুর একটায় নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম মহোদয় কে মোবাইল করলে তিনি বলেন, লাইনে সমস্যা হয়েছে , কোন জায়গায় সমস্যা চিহ্নিত করা যায়নি। দুপুর দুইটায় আবার জিএম কে মোবাইল করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নেত্রকোনার কুনিয়া নামক স্থান হতে ঠাকুরাকোণা পর্যন্ত লাইনের সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে।
বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন এবং কাজ চলমান রয়েছে। কতক্ষণ সময় লাগবে তা বলতে পারেননি। তিনি আরো বলেন, লাইনের কাজ সমাপ্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ দেয়া হবে। জরুরী নাম্বারে কল রিসিভ করেনি , রিসিভ না করার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন আশ্বস্ত করেছেন । ফলে অফিস আদালতের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সর্বক্ষেত্রে পানির জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। কয়েক ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকলে পানির ট্যাংকিতে পানি শেষ হলে বুঝা যায় পানির জন্য হরেক রকম অসুবিধা হয়। মসজিদের মুসল্লিরা পানির জন্য ওযু করতে পারছেন না। পারিবারিক ভাবে পানির জন্য গোসল সহ রান্না ও খাওয়া দাওয়া অসুবিধা হচ্ছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মোহনগঞ্জে বিদ্যুৎ আসেনি ।সর্বশেষ বিকাল সাড়ে ছয়টায় জিএম আকরাম হোসেনের পক্ষে এজিএম (এডমিন ) রাশেদ বলেন, যে একটি ত্রুটি পেয়েছি তা সমাধান করে বিদ্যুৎ দিতে এক ঘন্টা সময় লাগবে। উক্ত সমস্যা সমাধান করে বিদ্যুৎ দেওয়ার পর যদি নতুন সমস্যা সৃষ্টি হয় তাহলে আরো সময় বেশি লাগবে। তিনি বলেন হাওরের মাঝখানে লাইনের বিষয় সময় নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ইহা অনুমান নির্ভর কথা।
Leave a Reply