বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে কেন্দুয়ায় এমপি হিলালী’র চালকদের প্রতি কড়া বার্তা নেত্রকোনায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন টিম রনি প্রতিদিন হতদরিদ্রদের ইফতারী বিলাচ্ছেন নেত্রকোণায়  সাংবাদিকদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার ও দোয়া মাহফিল পূর্বধলায় ৫ কোটি টাকার সড়কে বেড়া দিয়ে নির্মাণে বাধা ।। ভোগান্তিতে ৭ গ্রামের মানুষ কেন্দুয়ায় মাদ্রাসা সুপার বাদরুলকে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা নেত্রকোণার সাংবাদিক আকাশের পিতা রব্বানী’র ইন্তেকাল বারহাট্টায় নব নির্বাচিত এমপির মতবিনিময় খালিয়াজুড়ির উড়াল সেতুর যাচাই প্রকল্প অনুমোদিত নেত্রকোণার মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মুখলেছুর রহমানের পিতা-মাতার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার নেত্রকোণায় বালাইনাশকের ব্যবহার বিষয়ক কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্টিত
রমজান ১৪৪৭
লোড হচ্ছে...
সাহরি (শেষ সময়)
--:--
ইফতার (শুরু)
--:--
পরবর্তী ইফতার
০০:০০:০০
সৌজন্যে : Shahin.bd

মহুয়া সাহিত্য টিপস্

রিপোর্টারের নাম:
  • আপডেট : বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৭৬ পঠিত

মায়াবতী প্রজাপতি

সারোয়ার পারভেজ বাবু

পাহাড়ের গায়ে জেগে ওঠা সকাল,

তুষারের মতো নিঃশব্দ আলোয়

তোমাকে দেখি—

প্রথম সূর্যের মতো ধীরে ধীরে নামছো,

আঙুলে রঙ মেখে, পাখায় প্রেম ছুঁয়ে।

তুমি কি মায়া ?

 

নাকি ধোঁয়ায় মোড়া কোনো স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি?

তুমি তো কেবল এক প্রজাপতি,

তবু চোখে তোমার নীল চাঁদের ছায়া,

ভিতরে লুকিয়ে এক আকাশের গান।

ফুলের দলন করে না তুমি,

তুমি জেগে থাকো ঘ্রাণের উপাসনায়—

যেন সুর তুলে রঙে,

প্রতিটি ডানায় তুমি এক প্রেমপত্র,

যা লেখা আমার হৃদয়ের জ্বালায়।

 

তুমি যখন উড়ো, বাতাসও থমকে দাঁড়ায়,

জীবন দাঁড়ায় দম বন্ধ করে,

তোমার পাখায় লেখা থাকে কবিতা,

যা কেউ পড়ে না, তবু সবাই বোঝে।

তুমি মায়াবতী,

না বাস্তব, না পুরোপুরি কল্পনা,

তবু তোমার প্রতিচ্ছবি লেগে থাকে—

আমার ঘুমহীন দুপুরে,

আমার নির্জন বারান্দায়,

আমার চোখের পাতায় নামা নিঃসঙ্গ বর্ষায়।

 

প্রজাপতিরা আসে আর যায়—

কিন্তু তুমি?

তুমি থেকে যাও, ঘ্রাণের মতো,

ছুঁয়ে যাও, অশ্রুর মতো,

মিশে যাও, স্মৃতির পলিকে।

তোমার নাম জানি না,

তবু ডাক দিই— “মায়াবতী”,

তোমার পেছনে ছুটতে ছুটতে

জীবনের প্রান্তে পৌঁছে যাই—

তবু তুমিই থেকে যাও অধরা।

তুমি যখন উড়ো

তোমার ছায়া পড়ে আমার বুকের ভাঁজে,

মনে হয়—

হয়তো প্রেম এমনই,

ধরা যায় না, তবু হারানো যায়।

 

তোমার ডানার রঙে মিশে থাকে নীলচে আবেশ,

একটুখানি হলুদ,

একটুখানি বিষণ্ণ গোলাপী,

আর বাকিটুকু নিঃসঙ্গতার ধূসর বর্ণ।

তুমি কি জানো,

তোমাকে ছুঁতে গেলে,

তোমার রঙ মুছে যায় আমার আঙুলে?

আমার চেষ্টার গ্লানিতে,

তুমি আরও দূরে উড়ে যাও,

আরও মায়াবী হয়ে ওঠো।

 

আমি তখন কবি হয়ে উঠি,

কিন্তু কাগজ শুকিয়ে যায়,

কলম হেরে যায়—

তোমার মুগ্ধতা বর্ণনা করতে গিয়ে।

মায়াবতী,

তোমার চোখের দিকে তাকালে

আমি হারিয়ে ফেলি দিক-বিদিক,

জগতের সমস্ত শব্দ স্তব্ধ হয়ে আসে,

শুধু থাকে তোমার ওড়ার শব্দ—

যেন কারো মৃদু নিঃশ্বাস।

তুমি হঠাৎ আসো,

নিভৃত বিকেলে, যখন আমি একা,

 

চোখে রাখো আকাশ,

হাতে রাখো সময়ের ঘড়ি—

আর আমাকে বন্দি করে ফেলো

তোমার মৌন সৌন্দর্যে।

প্রেম মানে যদি হয় অপেক্ষা,

তবে আমি চিরকাল বসে থাকব

তোমার পাখার ধাক্কায় সৃষ্ট বাতাসের আশায়,

যেখানে হয়তো এক মুহূর্তে তুমি এসে

বসে পড়বে আমার কাঁধে—

মায়ার অলীক কোনো সংলাপে।

 

তুমি কি জানো,

তুমি উড়ে গেলে

আমি শিখি,

ভালোবাসা মানে ধরা নয়—

ভালোবাসা মানে দেখার আনন্দ,

তোমাকে ওড়াতে দেওয়া,

তোমার রঙ মেখে কেবল কবিতা লেখা।

তুমি এক কবিতার ক্যানভাস,

যেখানে রঙ চুরি হয় প্রতিটি প্রেমিকের চোখ থেকে,

তুমি এক অমল রূপক,

যার পেছনে ছুটতে ছুটতে

আমি নিজেকেই খুঁজি।

মায়াবতী প্রজাপতি,

তোমার ওড়ার মাঝে আছে আমার সমস্ত ইচ্ছা,

তুমি থেমে গেলে হয়তো আমি নিঃশেষ—

তোমার চলনই আমার কবিতা,

তোমার নীরবতাই আমার গান।

 

তুমি জানো না,

তুমি একবার এসেছিলে—

শুধু একবার, বসেছিলে আমার হৃদয়ের বাগানে।

তারপর থেকে আমি প্রতিদিন অপেক্ষা করি,

হয়তো আবার আসবে তুমি,

হয়তো আবার সেই মুহূর্ত জেগে উঠবে—

যেখানে প্রেম আর সময়ের কোনো বিভেদ নেই।

তুমি আসো

শুধু এক ফোঁটা মুহূর্তে,

যেখানে চিরকাল ধরা থাকে

আমার সকল চাওয়া—

একটা ছোঁয়া,

একটা দৃষ্টি,

একটা চিরকালীন নিঃশ্বাস।

 

________________________________________

শেষাংশ:

তুমি উড়ে যাও,

আমি বসে থাকি—

একজন কবি,

যার কল্পনার পৃথিবীতে

তুমি চিরকাল মায়াবতী প্রজাপতি হয়ে থেকো।

 

  

জীবনের ছুটি

সৈয়দা আছমাউল হোসনা

আজ বাতাসে শুনি

হাজারো শিশুর আর্থনাদ

হাজারো মায়ের  বুক ভাঙ্গা

কান্নার আওায়াজ ।

 

মাইলস্টুন স্কুল এন্ড কলেজে নেমে আসল

আকষ্মিক মৃত্যুর ঘনঘটা,

থেমে গেল স্কুলের বিদায়ের ঘন্টা ?

আজ কি শিশু গুলির চির বিদায়

চির জীবনের ছুটি ?

কাঁদিয়া জঠিল তরুলতা

সবুজ মাটি।

চারিদিকে কলিজা ফাঁটা চিৎকার

এক বিষ্ময়কর হা-হাকার

পৃথিবী আজ থমকে গেছে

নিভে গেছে ঘরের বাতী,

দিন দুপুরের আলো আজ

হয়ে গেছে রাত্রি।

 

জন্মদিনের কেক নিয়ে দাড়ানো মা

আজ তার সোনামনির জন্মদিন,

মা কি জানত তার যাদু মনি বাড়ি ফিরবেনা

কথা বলবে না।

গেইটের বাইরে হাজারো মায়ের ভীড়

সন্তানদের অকালমৃত্যুতে অস্তীর।

ঝাপসা নয়নে মায়েরা চেয়ে আছে

তাদের সন্তানেরা ওইতো আসছে,

আকাশ কান্দে বাতাস কান্দে

কান্দে জগৎসাবী, আরো কান্দে মায়ের অন্তর

কান্দে পূর্বা আকাশের শশী।

শেয়ার করুন:
এ জাতীয় আরও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

© All rights reserved © 2021 dainikjananetra
কারিগরি সহযোগিতায় Shahin.bd